রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩

ধামরাইয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র বিভ্রাট: চরম ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৫৭ এম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ধামরাইয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র বিভ্রাট: চরম ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা

ঢাকার ধামরাই উপজেলার ১৭১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সোমবার (১৭ আগস্ট) একযোগে দ্বিতীয় টার্মিনাল মূল্যায়ন পরীক্ষা শুরু হয়েছে। কিন্তু পরীক্ষার প্রথম দিনেই ইংরেজি বিষয়ের প্রশ্নপত্র নিয়ে নানা ধরনের অসংগতি ও বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে। কোথাও প্রয়োজনের তুলনায় প্রশ্নপত্র কম সরবরাহ করা হয়েছে, আবার কোথাও এক শ্রেণির প্রশ্নের প্যাকেটের ভেতর পাওয়া গেছে অন্য শ্রেণির প্রশ্ন। এছাড়া অনেক প্যাকেটে প্রশ্নপত্রের অংশবিশেষ ছাপা না থাকায় শিক্ষার্থীরা চরম বিভ্রান্তিতে পড়ে। এই অব্যবস্থাপনার কারণে অনেক বিদ্যালয়ে পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে শুরু করা সম্ভব হয়নি এবং শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রশ্নপত্রের এই ঘাটতি ও ভুল ব্যবস্থাপনার কারণে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার পরিবেশ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়েছে। একটি বিদ্যালয়ে দ্বিতীয় শ্রেণির ইংরেজি প্রশ্ন ছয়টি কম ছিল। অন্য কয়েকটি বিদ্যালয়ে একই শ্রেণির প্রশ্ন যথাক্রমে পাঁচটি, সাতটি ও ১৭টি পর্যন্ত কম পাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ভাড়ারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, প্রথম শ্রেণির প্রশ্নের প্যাকেটে দ্বিতীয় শ্রেণির ইংরেজি প্রশ্ন এবং দ্বিতীয় শ্রেণির প্যাকেটের ভেতর প্রথম শ্রেণির বাংলা প্রশ্ন পাওয়া গেছে। ওই বিদ্যালয়টিতে প্রথম শ্রেণিতে ২২ জন এবং দ্বিতীয় শ্রেণিতে ৪২ জন শিক্ষার্থী ছিল, যেখানে দ্বিতীয় শ্রেণির প্রশ্নপত্রের ঘাটতি ছিল ২০টি।

চন্দ্রপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েও একই ধরনের বিশৃঙ্খলা দেখা গেছে। সেখানে চতুর্থ শ্রেণির ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা বিষয়ের প্যাকেট খোলা হলে ভেতরে বাংলা বিষয়ের প্রশ্ন পাওয়া যায় এবং সেখানেও প্রশ্নপত্রের সংখ্যা প্রয়োজনের তুলনায় কম ছিল। প্রশ্নপত্রের এই ঘাটতি মেটাতে অনেক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ফটোকপি করার উদ্যোগ নিতে হয়। এই প্রক্রিয়ার সময় শিক্ষার্থীদের একটি অংশকে আলাদা কক্ষে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়েছে। একটি বিদ্যালয়ে ১৭ জন শিক্ষার্থীকে প্রশ্নপত্রের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষায় থাকতে দেখা গেছে, যা কোমলমতি শিশুদের মানসিক চাপের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শিক্ষকদের ভাষ্যমতে, শুধু প্রশ্নের সংখ্যা কম বা প্যাকেট অদলবদল হওয়া নয়, অনেক প্রশ্নপত্র পুরোপুরি ছাপা হয়নি। কোনো কোনো পৃষ্ঠার একটি অংশ ছাপা থাকলেও বাকি অংশ সম্পূর্ণ ফাঁকা ছিল। পরীক্ষার সময় প্রশ্নপত্র নিয়ে বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষক-কর্মচারীদের চরম বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়েছে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ বিভ্রাট পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। দ্রুত ফটোকপি করে দেওয়ার সুযোগ না থাকায় শিক্ষার্থীদের অপেক্ষার সময় আরও দীর্ঘ হয়, যার ফলে নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষা শুরু করা নিয়ে বড় ধরনের সমস্যা তৈরি হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক প্রধান শিক্ষক জানিয়েছেন, পরীক্ষার আগে গোপনীয়তার খাতিরে প্রশ্নপত্রের প্যাকেট খোলা হয় না। কিন্তু পরীক্ষার সময় প্যাকেট খুলতে গিয়েই এই ভয়াবহ ভুলগুলো ধরা পড়ে। এক প্রধান শিক্ষক জানান, দ্বিতীয় শ্রেণির তিনটি ইংরেজি প্রশ্ন কম ছিল এবং প্যাকেটের ভেতরে ভুল প্রশ্ন ছিল। অন্য এক শিক্ষক জানান, প্রথম শ্রেণির প্যাকেটের ভেতরে দ্বিতীয় শ্রেণির ইংরেজি প্রশ্ন এবং দ্বিতীয় শ্রেণির প্যাকেটের ভেতর প্রথম শ্রেণির ইংরেজি প্রশ্ন পাওয়া গেছে। এছাড়া প্রথম শ্রেণির ইংরেজি প্রশ্নের সংখ্যাও একটি কম ছিল।

অন্য এক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জানান, তার বিদ্যালয়ে প্রশ্নপত্রের ঘাটতি না থাকলেও আশপাশের চার-পাঁচটি বিদ্যালয়ে একই ধরনের সমস্যা হয়েছে বলে তিনি শুনেছেন। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়ম অনুযায়ী, বিদ্যালয়গুলো নিজেরাই প্রশ্ন তৈরি করতে পারে এবং প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে তা জমা দেওয়ার কথা। কিন্তু ধামরাইয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের সরাসরি তত্ত্বাবধানে প্রশ্নপত্র তৈরি ও সরবরাহ করার অভিযোগ উঠেছে। প্রথম টার্মিনাল পরীক্ষার সময়ও একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছিল বলে জানা গেছে।

প্রশ্নপত্র তৈরির নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের বিষয়টিও এখন বড় বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির প্রশ্ন তৈরির জন্য জনপ্রতি ১০ টাকা এবং তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির জন্য ১২ টাকা করে আদায় করা হয়েছে। ধামরাইয়ের ১৭১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ৫০ হাজার শিক্ষার্থী রয়েছে। এই হিসাবে প্রশ্নপত্র তৈরির নামে কয়েক লাখ টাকা তোলা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। শিক্ষকরা প্রশ্ন তুলেছেন, উপজেলা শিক্ষা অফিস কেন এই দায়িত্ব নিল এবং এই বিপুল পরিমাণ অর্থের হিসাব কোথায়?

পরীক্ষার হলে গিয়ে প্রশ্নপত্র না পাওয়া বা ভুল প্রশ্ন পাওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র বিভ্রান্তি তৈরি হয়। অনেক শিক্ষার্থীকে প্রশ্নপত্রের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষায় থাকতে হওয়ায় পরীক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট হয়েছে বলে শিক্ষক ও অভিভাবকরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। অভিভাবকরা বলছেন, শিশুদের মূল্যায়ন পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে এমন ভুল কোনোভাবেই কাম্য নয়। প্রশ্নপত্র কম থাকা, ভুল প্যাকেটে অন্য শ্রেণির প্রশ্ন থাকা কিংবা অসম্পূর্ণ প্রশ্ন সরবরাহের কারণে শিশুদেরই ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। তারা ঘটনার কারণ খুঁজে বের করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

এই পুরো বিষয়টি নিয়ে ধামরাই উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মোবাখখারুল ইসলাম মিজান জানান, তিনি অভিযোগগুলো শুনেছেন এবং বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছেন। তবে প্রশ্নপত্র তৈরির দায়িত্ব ও অর্থ আদায়ের প্রক্রিয়া নিয়ে যে অভিযোগ উঠেছে, তার কোনো সদুত্তর এখনো পাওয়া যায়নি। অভিভাবক ও সচেতন মহল মনে করছেন, প্রাথমিক শিক্ষার মতো একটি সংবেদনশীল জায়গায় এমন গাফিলতি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। অবিলম্বে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের চিহ্নিত করা প্রয়োজন।

পরিশেষে, ধামরাইয়ের এই ঘটনাটি প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার প্রশাসনিক দুর্বলতার একটি বড় উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রায় ৫০ হাজার শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ ও মানসিক অবস্থার কথা চিন্তা না করে যেভাবে প্রশ্নপত্র সরবরাহ করা হয়েছে, তা চরম দায়িত্বহীনতার পরিচয় দেয়। আগামীতে যেন এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সেজন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কঠোর নজরদারি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমিয়ে একটি সুন্দর ও সুষ্ঠু পরীক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনাই এখন প্রধান দাবি।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে চার মাসের বকেয়া বেতনের দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের সড়ক অবরোধ

আরও পড়ুন: বোয়ালমারীতে সড়ক দুর্ঘটনার তিনদিন পর শিক্ষার্থীর সন্ধান মিলল

External comments notice: You may need to sign in to the external service to view or post comments.
dailydigantapratidin.com
dailydigantapratidin.com

মিষ্টির শূন্য আসনে বিএনপির মনোনয়ন কিনলেন ৭০ নেত্রী

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ২:০২ এম
মিষ্টির শূন্য আসনে বিএনপির মনোনয়ন কিনলেন ৭০ নেত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে শূন্য ঘোষিত সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন বিক্রি শুরু করেছে বিএনপি। শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে ফরম বিতরণ করা হয়। প্রথম দিনে অন্তত ৭০ জন নেত্রী ৫ হাজার টাকা মূল্যে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে বিএনপির সহ-দফতর সম্পাদক তারিকুল আলম তেনজিং জানান, ফরম বিক্রি থেকে দলটির মোট আয় হয়েছে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

মনোনয়ন ফরম বিতরণকে কেন্দ্র করে নয়াপল্টনে পার্টি অফিসের সামনে দিনভর ব্যাপক কর্মচঞ্চলতা দেখা যায়। নেতাকর্মীদের মিছিল, স্লোগান ও জটলায় উৎসব মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। সম্ভাব্য প্রার্থীদের মনোনয়ন প্রাপ্তির সম্ভাবনা ও দলীয় সমীকরণ নিয়ে আলোচনা চালান সমর্থকরা। প্রথম দিনে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহকারীদের মধ্যে রয়েছেন জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় স্বনির্ভরবিষয়ক সহসম্পাদক ও সাবেক ছাত্রদল নেত্রী অ্যাডভোকেট আসমা আজিজ, মহিলা দলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক শাহিনুর নার্গিস এবং ঢাকা মহানগর উত্তর মহিলা দলের সভাপতি রুনা লায়লাসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেত্রী।

আরও পড়ুন: ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত বিমানের রিয়াদ ও দাম্মাম ফ্লাইট স্থগিত

ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, শনিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে পূরণকৃত ফরম জমা দিতে হবে। ফরম জমা দেওয়ার সময় প্রতিটি প্রার্থীর কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা জমা নেওয়া হবে। আগামী ১২ নভেম্বর এই আসনে উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

ঢাকার মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় তৎকালীন সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠে। এর জেরে দলীয় প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে গত ১ অক্টোবর তিনি পদত্যাগ করলে সংরক্ষিত আসনটি শূন্য হয়।

External comments notice: You may need to sign in to the external service to view or post comments.
dailydigantapratidin.com
dailydigantapratidin.com

১৮ অক্টোবর পর্যন্ত বিমানের রিয়াদ ও দাম্মাম ফ্লাইট স্থগিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২৩ এম
১৮ অক্টোবর পর্যন্ত বিমানের রিয়াদ ও দাম্মাম ফ্লাইট স্থগিত

১৮ অক্টোবর পর্যন্ত বিমানের রিয়াদ ও দাম্মাম ফ্লাইট স্থগিত

সৌদি আরবের বিমানবন্দরে সাম্প্রতিক হামলার জেরে নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ঢাকা থেকে রিয়াদ ও দাম্মাম রুটের সব ফ্লাইট আগামী ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত ঘোষণা করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। বৃহস্পতিবার এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিমান কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেছে। সাময়িকভাবে বন্ধ হওয়া এই ফ্লাইটগুলোর পরবর্তী সময়সূচি পরে জানিয়ে দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: মর্যাদাপূর্ণ ফেরাতে বৈশ্বিক উদ্যোগ চান ঢাবি উপাচার্য

তবে জরুরী প্রয়োজনে যাত্রীদের যাতায়াত সচল রাখতে বিকল্প পথ হিসেবে জেদ্দা ও মদিনা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবহারের সুযোগ রাখা হয়েছে। যাত্রীরা এসব বিমানবন্দর হয়ে সৌদি আরবে গমন কিংবা বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করতে পারবেন।

আরও পড়ুন: তাজমিন মৃত্যুর ঘটনা: হোটেলকর্মী রাজুর বিরুদ্ধে নারী সুরক্ষা সংক্রান্ত

যাত্রীদের বাড়তি চাপ সামলাতে মদিনা রুটে বোয়িং ৭৮৭-এর বদলে বড় পরিসরের বোয়িং ৭৭৭ উড়োজাহাজ দিয়ে ফ্লাইট পরিচালনার সিদ্ধান্ত হয়েছে, যার ফলে প্রতি ফ্লাইটে আসন সংখ্যা ১৪৮টি করে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর পাশাপাশি জেদ্দা রুটে অতিরিক্ত তিনটি বিশেষ ফ্লাইট যুক্ত করা হয়েছে। টিকিট রি-ইস্যু বা ভ্রমণ সংক্রান্ত তথ্যের জন্য যাত্রীদের নিকটস্থ বিমানের সেলস সেন্টারে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, যাত্রীদের চাহিদা বিবেচনায় মদিনা রুটে বোয়িং ৭৮৭ উড়োজাহাজের পরিবর্তে বোয়িং ৭৭৭ উড়োজাহাজ সংযোজন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: মিষ্টির শূন্য আসনে বিএনপির মনোনয়ন কিনলেন ৭০ নেত্রী

External comments notice: You may need to sign in to the external service to view or post comments.
dailydigantapratidin.com
dailydigantapratidin.com

তাজমিন মৃত্যুর ঘটনা: হোটেলকর্মী রাজুর বিরুদ্ধে নারী সুরক্ষা সংক্রান্ত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১৭ এম
তাজমিন মৃত্যুর ঘটনা: হোটেলকর্মী রাজুর বিরুদ্ধে নারী সুরক্ষা সংক্রান্ত

তাজমিন মৃত্যুর ঘটনা: হোটেলকর্মী রাজুর বিরুদ্ধে নারী সুরক্ষা সংক্রান্ত

কুমিল্লায় সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিনের মৃত্যুর ঘটনায় কক্সবাজারের হোটেলকর্মী রিয়াজ উদ্দিন রাজুর বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়েছে। এক আইনজীবীর আবেদনের ভিত্তিতে আদালতের নির্দেশে বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ অভিযোগটি ধর্ষণ মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করে।

আরও পড়ুন: ইয়েমেনে সংঘর্ষ ও বিমান হামলায় দুই শতাধিক হুথি হতাহতের

মামলার আবেদনকারী আইনজীবী মোহাম্মদ রাশেদ জানান, রাজু প্রতারণার মাধ্যমে তাজমিনকে কক্সবাজারে নিয়ে আসেন। গত ৬ অক্টোবর তারা একটি হোটেলের কক্ষে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে রাত কাটান। আইনজীবী অভিযোগ করেন, ভালোবাসার অভিনয় করে তাজমিনকে কক্সবাজারে এনে ধর্ষণ করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, এ ঘটনার বিচার নিশ্চিত করতে বিবেকের তাড়নায় তিনি মামলাটি করেছেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় করা আবেদনে আইনজীবী তাজমিনের বয়সের বিষয়টিও আদালতকে অবহিত করেন। এর আগে গত ১১ অক্টোবর রাতে কক্সবাজার শহরের কলাতলী এলাকা থেকে রাজুকে আটক করে সদর মডেল থানা পুলিশ। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল কক্সবাজারে যায়। তবে কুমিল্লা পুলিশ তাকে নিতে অস্বীকৃতি জানালে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় রাজুকে আদালতে পাঠানো হয়।

External comments notice: You may need to sign in to the external service to view or post comments.
dailydigantapratidin.com
dailydigantapratidin.com