শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

‘বদর’ প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে বৈশ্বিক বিশ্লেষকদের চাঞ্চল্যকর মূল্যায়ন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ২:২২ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
‘বদর’ প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে বৈশ্বিক বিশ্লেষকদের চাঞ্চল্যকর মূল্যায়ন

মধ্যপ্রাচ্য ও বৈশ্বিক ভূরাজনীতিতে সৌদি আরবকে বাইরে রেখে কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার যৌথ উদ্যোগে গড়ে ওঠা ‘বদর প্রতিরক্ষা চুক্তি’ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। নিরাপত্তা ও কৌশলগত বিশ্লেষকদের মতে, পশ্চিমা বিশ্ব ও মধ্যপ্রাচ্যের প্রথাগত রাজতান্ত্রিক বলয়ের ওপর একক নির্ভরতা কমিয়ে প্রতিরক্ষায় আত্মনির্ভরশীলতা অর্জন এবং আধুনিক প্রযুক্তি আদান-প্রদানের লক্ষ্যেই এই চার প্রভাবশালী মুসলিম দেশ একত্রিত হয়েছে।

আরও পড়ুন: পিএইচপি সফটওয়্যারের ত্রুটিতে বিশ্বের বহু অনলাইন সেবা সাময়িক স্থগিত

আন্তর্জাতিক থিংকট্যাংকগুলোর একাংশের মূল্যায়ন অনুযায়ী, রিয়াদ যখন ওয়াশিংটনের সাথে নিজেদের নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনর্বিন্যাসে মনোযোগ দিচ্ছে, তখন এই চার দেশ নিজেদের সার্বভৌম নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিকল্প পথ বেছে নিয়েছে। এ বিষয়ে লন্ডনভিত্তিক নিরাপত্তা গবেষণা প্রতিষ্ঠান রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের (রুসি) মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশ্লেষক মাইকেল স্টিফেনস জানান, ঐতিহাসিকভাবে মুসলিম বিশ্বের নিরাপত্তা কাঠামো সৌদি আরবের অর্থনৈতিক শক্তি এবং মার্কিন সামরিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল ছিল। তবে বর্তমান পেক্ষাপটে তুরস্ক ও পাকিস্তানের মতো রাষ্ট্রগুলো নিজেদের সামরিক সক্ষমতার ওপর ভর করে স্বাধীনভাবে এগোনোর চেষ্টা করছে। কাতার ও ইন্দোনেশিয়ার যোগদান প্রমাণ করে যে তারা আর একটি নির্দিষ্ট আঞ্চলিক শক্তির ছায়ায় সীমাবদ্ধ থাকতে প্রস্তুত নয়।

জোটের সামরিক ও কৌশলগত লক্ষ্য ব্যাখ্যা করে তুরস্কের সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড সোশ্যাল রিসার্চের প্রধান ড. এরদোগান কারাকুশ বলেন, এই চুক্তি অন্য কোনো দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসন চালানোর উদ্দেশ্যে তৈরি হয়নি। বরং প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম যৌথভাবে উৎপাদন এবং ভারসাম্য বজায় রাখাই এর প্রধান উদ্দেশ্য। সৌদি আরব কূটনৈতিক সুবিধার জন্য পশ্চিমা ব্লকের দিকে ঝুঁকলেও আঙ্কারা ও ইসলামাবাদ নিজেদের সামরিক প্রযুক্তি এবং ড্রোন সক্ষমতা বৃদ্ধিকে প্রাধান্য দিচ্ছে, যার মূল ভিত্তি হলো স্বনির্ভরতা।

আরও পড়ুন: ৪৩০ রান তাড়া করে শ্রীলঙ্কার ঐতিহাসিক জয়

আঞ্চলিক ক্ষমতার দ্বন্দ্বের বিষয়টি তুলে ধরে ওয়াশিংটনভিত্তিক আটলান্টিক কাউন্সিলের অ্যারাবিয়ান পেনিনসুলা ইনিশিয়েটিভের ফেলো ড. সিনা আজিজি মন্তব্য করেন, সাম্প্রতিক পররাষ্ট্রনীতি ও কৌশলগত মতপার্থকের কারণেই সৌদি আরবকে এই জোটে রাখা হয়নি। কাতার ও তুরস্কের নিরাপত্তা ভাবনার সাথে রিয়াদের অবস্থান সব সময় মেলেনি। ফলে দোহা এখন নিজেদের নিরাপত্তার জন্য কেবল উপসাগরীয় মিত্রদের ওপর ভরসা না করে স্বকীয় অবস্থান স্পষ্ট করছে।

প্রতিরক্ষা জোটের সম্ভাবনা ও গুরুত্ব নিয়ে পাকিস্তানের সাবেক সংকেত কর্মকর্তা ও প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক সাবেক লেফটেন্যান্ট জেনারেল তালাত মাসুদ বলেন, পাকিস্তান প্রতিনিয়ত মুসলিম দেশগুলোর সাথে জোরদার সামরিক সম্পর্কের পক্ষে। তুরস্কের উন্নত প্রযুক্তি, পাকিস্তানের পারমাণবিক ও সামরিক অভিজ্ঞতা এবং কাতার ও ইন্দোনেশিয়ার অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক শক্তি এক জায়গায় হলে যে কোনো আঞ্চলিক চাপ দক্ষতার সাথে মোকাবিলা করা সম্ভব হবে। এটি প্রথাগত ক্ষমতার কাঠামোর বাইরে এক নতুন শক্তির আগমন নির্দেশ করে।

সব মিলিয়ে বিশ্লেষকদের স্পষ্ট পর্যবেক্ষণ হলো—‘বদর প্রতিরক্ষা চুক্তি’ শুধুই কোনো আনুষ্ঠানিক সামরিক সমঝোতা নয়। বিশ্বজুড়ে তৈরি হওয়া বহুমাত্রিক শক্তির এই যুগে এটি নতুন কৌশলগত ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা করবে, যা মুসলিম বিশ্বের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এতদিন ধরে চলা সৌদি আরবের একক আধিপত্যকে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে। এছাড়া কাতার ও ফ্রান্স হরমুজ প্রণালিতে অবাধ নৌ চলাচল নিশ্চিত করা এবং গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে।

External comments notice: You may need to sign in to the external service to view or post comments.
dailydigantapratidin.com
dailydigantapratidin.com

তুরস্কের সঙ্গে সংঘাতের ইঙ্গিত দিলেন নেতানিয়াহু

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৪৭ পিএম
তুরস্কের সঙ্গে সংঘাতের ইঙ্গিত দিলেন নেতানিয়াহু

তুরস্কের সঙ্গে সংঘাতের

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ানের বিরুদ্ধে আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়ানোর অভিযোগ তুলেছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। একই সঙ্গে তিনি তুরস্কের সঙ্গে সম্ভাব্য সামরিক সংঘাতের আশঙ্কার কথাও ব্যক্ত করেছেন। ইসরাইলের চ্যানেল ১৪-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব মন্তব্য করেন তিনি। মিডল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ ধরনের উত্তেজনাকর পরিস্থিতি দুই দেশের মধ্যে সরাসরি সংঘাতের প্রেক্ষাপট তৈরি করতে পারে।

সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহুর বক্তব্য

  • নেতানিয়াহু দাবি করেন, ইসরাইল তুরস্কের সঙ্গে কোনো সংঘর্ষে জড়াতে চায় না।
  • তবে ইসরাইলের নিরাপত্তানীতি অনুযায়ী সম্ভাব্য হুমকি ঠেকাতে আগাম আঘাত হানার সুযোগ রয়েছে, যা তুরস্কের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হতে পারে।
  • ইসরাইলের কৌশলগত পরিকল্পনা সম্পর্কে সরাসরি উত্তর না দিলেও তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, তার দেশ কোনোভাবেই নতি স্বীকার করবে না।
  • যেকোনো ধরনের সংঘাত মোকাবিলায় ইসরাইলি সামরিক বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে বলে তিনি জানান।

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যে বড় যুদ্ধের সতর্কবার্তা দিল কাতার

External comments notice: You may need to sign in to the external service to view or post comments.
dailydigantapratidin.com
dailydigantapratidin.com

মধ্যপ্রাচ্যে বড় যুদ্ধের সতর্কবার্তা দিল কাতার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৪৭ পিএম
মধ্যপ্রাচ্যে বড় যুদ্ধের সতর্কবার্তা দিল কাতার

মধ্যপ্রাচ্যে বিদ্যমান চরম সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক মধ্যস্থতা ও পরোক্ষ আলোচনা চলমান রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে কাতার। মঙ্গলবার দোহায় অনুষ্ঠিত ‘গ্লোবাল সিকিউরিটি ফোরাম’-এ এমন তথ্য জানান কাতারের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ড. মাজেদ বিন মোহাম্মদ আল-আনসারি। তিনি স্পষ্ট করেন যে, বর্তমান উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেও ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে পর্যায়ভিত্তিক আলাপ-আলোচনা থমকে যায়নি।

আরও পড়ুন: তুরস্কের সঙ্গে সংঘাতের ইঙ্গিত দিলেন নেতানিয়াহু

আলোচনার গোপনীয়তা রক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করে আল-আনসারি বলেন, মিডিয়ায় এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ না পাওয়াই প্রমাণ করে যে মধ্যস্থতাকারীরা তাদের দায়িত্ব নিভৃতে পালন করে যাচ্ছেন। তবে একই সঙ্গে তিনি এক ভয়াবহ পরিণতির ব্যাপারে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, এই সংঘাত অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়লে পুরো অঞ্চল এক ধ্বংসাত্মক বৈশ্বিক যুদ্ধের সম্মুখীন হবে, যা কেবল মধ্যপ্রাচ্য নয় বরং আন্তর্জাতিক শান্তিকেও মারাত্মক ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেবে।

আরও পড়ুন: সাইবার আইন নিয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার গভীর উদ্বেগ

আঞ্চলিক অস্থিরতা নিরসনের ওপর জোর দিয়ে তিনি জানান, অতীতের যুদ্ধবিরতিগুলো স্থায়ী সমাধান দিতে ব্যর্থ হওয়ায় নতুন করে সংঘাত শুরু হয়েছে। যেকোনো যুদ্ধবিরতিকে তিনি দীর্ঘস্থায়ী শান্তির একটি প্রবেশদ্বার হিসেবে অভিহিত করেছেন। এ সময় তিনি ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির জন্য এই আঞ্চলিক অস্থিরতাকে ব্যবহারের কড়া সমালোচনা করেন।

সৌদি আরবের নিরাপত্তা ইস্যুতে কাতার তার পূর্ণ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে। আল-আনসারি জানান, নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ভ্রাতৃপ্রতিম রাষ্ট্র সৌদি আরব যেকোনো পদক্ষেপ নিলে তার পাশে রয়েছে কাতার। বিশেষ করে হুথি বিদ্রোহীদের হামলার বিপরীতে রিয়াদের অবস্থানকে সমর্থন জানিয়ে তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরাতে আঞ্চলিক সংকটগুলো সমন্বিতভাবে সমাধান করা প্রয়োজন।

External comments notice: You may need to sign in to the external service to view or post comments.
dailydigantapratidin.com
dailydigantapratidin.com

সাইবার আইন নিয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার গভীর উদ্বেগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৪৭ পিএম
সাইবার আইন নিয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার গভীর উদ্বেগ

বাংলাদেশের প্রস্তাবিত সাইবার নিরাপত্তা আইনের সংশোধনী ও গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের নতুন কাঠামো নিয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ‘লা ফুনেত্র দ্য পারিস’ তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ২০২৬ সালের খসড়া সাইবার আইনের বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করে সংস্থাটি বলছে, এতে স্বাধীন সাংবাদিকতা ও গণতান্ত্রিক অধিকার মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। প্যারিসভিত্তিক এই সংগঠনটি জানায়, আইনে থাকা অস্পষ্ট ধারা, বিনা পরোয়ানায় তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেপ্তারের ক্ষমতা এবং বিচারিক তদারকি ছাড়া কনটেন্ট বন্ধ করার বিধান মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে সংকুচিত করবে। এছাড়া ‘গুজব’ ও ‘ভুল তথ্য’র মতো অস্পষ্ট বিষয়গুলোকে অপরাধের সংজ্ঞায় অন্তর্ভুক্ত করায় উদ্বেগের মাত্রা আরও বেড়েছে। গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, ২০২৬ সালের খসড়া সাইবার আইনের বিভিন্ন ধারা নিয়ে সামপ্রতিক বিশ্লেষণে স্বাধীন সাংবাদিকতা ও গণতান্ত্রিক অধিকারের জন্য উদ্বেগজনক বিষয় উঠে এসেছে। প্রস্তাবিত কাঠামোয় জামিন অযোগ্য অপরাধের কঠোর বিধান বহাল রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যে বড় যুদ্ধের সতর্কবার্তা দিল কাতার

বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, আগাম বিচারিক অনুমোদন ছাড়া কর্তৃপক্ষের এমন ব্যাপক ক্ষমতা সাইবার জগতে অনিয়ন্ত্রিত নজরদারি ও নিপীড়নের সুযোগ তৈরি করবে। এর ফলে সাংবাদিক, কার্টুনিস্ট ও মানবাধিকারকর্মীরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগবেন এবং গণমাধ্যমগুলো স্ব-আরোপিত সেন্সরশিপের দিকে ঠেলে দেওয়া হবে। রাজনৈতিক সমালোচনা বা অনুসন্ধানী সাংবাদিকতাকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করার এই প্রক্রিয়া আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের পরিপন্থী বলে মনে করছে সংস্থাটি। কোনো বিধিনিষেধ আরোপের ক্ষেত্রে তা অবশ্যই স্পষ্ট আইনের ভিত্তিতে, বৈধ উদ্দেশ্যে এবং প্রয়োজনীয় অনুপাতে হতে হবে বলে তারা স্মরণ করিয়ে দিয়েছে। একই সঙ্গে সাংবাদিক, কার্টুনিস্ট ও মানবাধিকারকর্মীদের নিরাপত্তাও মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর যেকোনো বিধিনিষেধ আরোপের ক্ষেত্রে তিনটি শর্ত পূরণের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছে এই সংস্থা।

আরও পড়ুন: আফগানিস্তানের কাছে বড় হারে ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় বাংলাদেশের

মানবাধিকার সংস্থাটি সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণাপত্র ও নাগরিক-রাজনৈতিক অধিকার বিষয়ক আন্তর্জাতিক চুক্তির ১৯ নম্বর অনুচ্ছেদের প্রসঙ্গ টেনে বলেছে, তথ্য ও ধারণা আদান-প্রদান করা মানুষের স্বীকৃত অধিকার। আইনকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে তারা বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে, সাইবার অপরাধের সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা নির্ধারণ এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট সাংবাদিকতা ও রাজনৈতিক মতপ্রকাশের সুরক্ষা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে যেকোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষেত্রে বিচারিক অনুমোদনের প্রক্রিয়া পুনর্বহাল করতে হবে। এছাড়া, বাংলাদেশের সম্পাদক পরিষদ ও সুশীল সমাজের উদ্বেগের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে সংস্থাটি অবিলম্বে আইনি কাঠামোয় প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনার তাগিদ দিয়েছে। প্রস্তাবিত আইনটি যেন নিপীড়নের হাতিয়ার না হয়ে ওঠে, সে বিষয়ে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে আন্তর্জাতিক এই সংস্থাটি।

External comments notice: You may need to sign in to the external service to view or post comments.
dailydigantapratidin.com
dailydigantapratidin.com