সৌদির বিমানবন্দর ও সামরিক ঘাঁটিতে হুতিদের নিরাপত্তা ঘটনায়

ইরান সমর্থিত ইয়েমেনের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুতি সৌদি আরবের ভূখণ্ডের গভীরে তিনটি পৃথক সামরিক অভিযান চালানোর দাবি করেছে। এসব অভিযানে বেশ কয়েক ডজন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে বলে গোষ্ঠীটি জানিয়েছে। ইয়েমেনে সৌদি জোটের চলমান হামলা এবং রাজধানী সানাসহ বিভিন্ন স্থানে বেসামরিক নাগরিকদের হতাহতের ঘটনার প্রতিশোধ হিসেবে এই আক্রমণ চালানো হয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
আরও পড়ুন: ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে চতুর্থ মেয়াদে জয়ী লুইজ ইনাসিও লুলা
আরও পড়ুন: জেএমসির সম্প্রসারণে এক রাতেই মিলল ১০ লাখ ডলার অনুদান
বিবৃতি অনুযায়ী, রবিবারের প্রথম অভিযানটি সৌদি রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে পরিচালনা করা হয়। দ্বিতীয় অভিযানটি চালানো হয় খামিস মুশাইত এলাকায় অবস্থিত কিং খালিদ বিমানঘাঁটিতে। হুতি বাহিনীর দাবি, সেখানে উড়োজাহাজের হ্যাঙ্গার, গোলাবারুদের গুদাম, ড্রোন নিয়ন্ত্রণকেন্দ্রসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে চালানো এসব হামলা সরাসরি এবং নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। তৃতীয় অভিযানটি জিজান এলাকায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর দক্ষিণাঞ্চলীয় নৌঘাঁটিতে চালানো হয়। এসব হামলায় সৌদি বাহিনীর কয়েকজন সেনা ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হতাহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে হুতিরা। তবে এসব দাবির বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
দেশ ও জনগণকে রক্ষার স্বার্থে তাদের এই সামরিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে হুতি বাহিনী। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ইয়েমেনে হামলা বন্ধ এবং দেশটির ওপর থেকে অবরোধ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত সৌদি সেনাদের সমাবেশস্থল লক্ষ্য করে তাদের হামলা চলবে। এছাড়া রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে অনিরাপদ ঘোষণা করে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বিমান সংস্থাগুলোকে এই বিমানবন্দর এবং সৌদি আরবের আকাশসীমা ব্যবহার না করার সতর্কবার্তা দিয়েছে গোষ্ঠীটি। তবে মক্কা ও মদিনার পবিত্র আকাশসীমাকে এই সতর্কতার বাইরে রাখা হয়েছে বলে বিবৃতিতে স্পষ্ট করা হয়। নারী ও শিশু হত্যার জন্য দায়ীদের ছাড় দেয়া হবে না বলেও তারা দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে।

















