শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

ফ্রান্সের শিক্ষার্থী আন্দোলনে ‘বিসমিল্লাহ’ স্লোগানের পেছনের রহস্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:২৭ এম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ফ্রান্সের শিক্ষার্থী আন্দোলনে ‘বিসমিল্লাহ’ স্লোগানের পেছনের রহস্য

ফ্রান্সে চলমান শিক্ষার্থী আন্দোলনের একপর্যায়ে ‘বিসমিল্লাহ, সে লে তেনেব্র’ নামক একটি রহস্যময় স্লোগান ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এ দুইয়ের মিশেলে তৈরি হয়েছে স্লোগানটি। এই বিক্ষোভই পরে ব্যাপক অস্থিরতায় রূপ নেয়।

গত সপ্তাহে লাখ লাখ শিক্ষার্থী যখন তাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধার দাবিতে রাজপথে নেমে আসেন, তখন তাদের হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডে এই বাক্যটি নজর কাড়ে। তবে এর আক্ষরিক অর্থের চেয়ে তাৎপর্য অনেক বেশি।

আরও পড়ুন: হরমুজে মার্কিন নৌ অবরোধের নিন্দা ও জাতিসংঘে ইরানের নালিশ

আরবি শব্দ ‘বিসমিল্লাহ’ (আল্লাহর নামে) এবং ফরাসি বাক্যাংশ ‘সে লে তেনেব্র’ (এটি অন্ধকার)-এর এই অদ্ভুত সংমিশ্রণ আপাতদৃষ্টিতে অস্পষ্ট মনে হলেও, এর নেপথ্যে রয়েছে পুলিশের নজরদারি ও তরুণদের প্রতি কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিভঙ্গির এক গভীর সামাজিক সংঘাত। বাক্যটির অর্থ আপাতদৃষ্টিতে অস্পষ্ট মনে হতে পারে।

ঘটনার সূত্রপাত হয় স্ন্যাপচ্যাটে ছড়িয়ে পড়া কিছু বার্তা থেকে। শিক্ষার্থী আন্দোলনের একটি ব্যক্তিগত চ্যাট গ্রুপে কোনো এক ব্যক্তি বারবার বার্তাটি পাঠিয়েছিলেন। ওই বার্তায় বলা হয়, ‘বিসমিল্লাহ, সে লে তেনেব্র—আমরা সবকিছু ভেঙে ফেলব।’ এই বার্তাগুলোতে আলজেরিয়ার পতাকার ইমোজি ও ‘মামাদু’ কিংবা ‘আবদেল্লাহ’-এর মতো নাম ব্যবহার করা হয়েছিল। তরুণদের কাছে এই ভাষাটি কৃত্রিম ও হাস্যকর ঠেকায় তারা সন্দেহ করছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাই শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে অনুপ্রবেশের উদ্দেশ্যে ছদ্মবেশে এসব বার্তা পাঠিয়েছিল।

আরও পড়ুন: ফ্রান্সে বিক্ষোভ সামলাতে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় সেনা মোতায়েনের ঘোষণা

শিক্ষার্থীদের ধারণা, আন্দোলন দমানোর জন্য কর্তৃপক্ষ যেভাবে তরুণদের কথ্যরীতির অনুকরণ করার চেষ্টা করেছে, তা চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে। এই ব্যর্থতাকে উপহাস করতেই বিক্ষোভকারীরা স্লোগানটিকে নিজেদের আন্দোলনের প্রতীকে রূপ দিয়েছেন। এটি এখন পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থী ও সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর দীর্ঘদিনের টানাপোড়েনের একটি প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফ্রান্সের সাবেক উপনিবেশগুলো থেকে আসা অভিবাসী পরিবার, কৃষ্ণাঙ্গ ও আরব বংশোদ্ভূত ফরাসিরা দীর্ঘদিন ধরেই বৈষম্যের শিকার হওয়ার কথা বলে আসছেন। তাদের ধারণা, তরুণদের কথাবার্তার ধরন অনুকরণ করতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা হাস্যকরভাবে ব্যর্থ হয়েছেন। বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও বর্ণগত সংখ্যালঘুদের সঙ্গে পুলিশের সম্পর্কের টানাপোড়েন এতে প্রতিফলিত হয়েছে।

এ বিষয়ে ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো নির্দিষ্ট এজেন্টের সম্পৃক্ততার কথা সরাসরি স্বীকার করেনি। তবে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করতে এবং তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহের সুবিধার্থে তদন্তকারীরা কখনো কখনো অনলাইনে ছদ্মনাম বা ছদ্মপরিচয় ব্যবহার করে থাকেন।

বিক্ষোভকারীদের দাবি, সরকার তাদের আন্দোলনের মূল বাস্তবতা এবং নতুন প্রজন্মের ভাষাকে বোঝার ক্ষেত্রে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে। ফ্রান্সের একটি ছাত্র সংগঠনের মুখপাত্র সাবরিন খারবাখ সরাসরি মন্তব্য করেছেন যে, কোনো ফরাসি তরুণ এভাবে কথা বলে না। তার মতে, এই স্লোগান ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বুঝিয়ে দিয়েছেন যে, তাদের ওপর নজরদারি বা অনুপ্রবেশের চেষ্টা তাদের চোখ এড়ায়নি। বরং সব প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও তারা যে নিজেদের সংগঠিত করতে সক্ষম, সেটিই স্লোগানের মাধ্যমে ফুটে উঠেছে।

বোর্দো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও আন্দোলনকারী সাদানি সাবাদি মনে করেন, স্ন্যাপচ্যাটের ওই বার্তাগুলোতে একধরনের পূর্বধারণা স্পষ্ট ছিল। কর্তৃপক্ষ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধারণা, যারা অবরোধ সৃষ্টি করছে বা ভাঙচুর করতে চাচ্ছে, তারা নির্দিষ্ট একটি গোষ্ঠীর মানুষ। এই বর্ণবাদী ও সংকীর্ণ মানসিকতারই প্রতিফলন ঘটেছে তাদের তথাকথিত ‘ছদ্মবেশে’র ভাষার ব্যবহারে। বার্তাগুলোর ভাষা হাস্যকর মনে হওয়ায় স্ন্যাপচ্যাটের অন্য ব্যবহারকারীরা সেগুলোর স্ক্রিনশট নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। তবে বার্তাগুলোর প্রকৃত উৎস স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

External comments notice: You may need to sign in to the external service to view or post comments.
dailydigantapratidin.com
dailydigantapratidin.com

তুরস্কের সঙ্গে সংঘাতের ইঙ্গিত দিলেন নেতানিয়াহু

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৪৭ পিএম
তুরস্কের সঙ্গে সংঘাতের ইঙ্গিত দিলেন নেতানিয়াহু

তুরস্কের সঙ্গে সংঘাতের

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ানের বিরুদ্ধে আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়ানোর অভিযোগ তুলেছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। একই সঙ্গে তিনি তুরস্কের সঙ্গে সম্ভাব্য সামরিক সংঘাতের আশঙ্কার কথাও ব্যক্ত করেছেন। ইসরাইলের চ্যানেল ১৪-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব মন্তব্য করেন তিনি। মিডল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ ধরনের উত্তেজনাকর পরিস্থিতি দুই দেশের মধ্যে সরাসরি সংঘাতের প্রেক্ষাপট তৈরি করতে পারে।

সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহুর বক্তব্য

  • নেতানিয়াহু দাবি করেন, ইসরাইল তুরস্কের সঙ্গে কোনো সংঘর্ষে জড়াতে চায় না।
  • তবে ইসরাইলের নিরাপত্তানীতি অনুযায়ী সম্ভাব্য হুমকি ঠেকাতে আগাম আঘাত হানার সুযোগ রয়েছে, যা তুরস্কের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হতে পারে।
  • ইসরাইলের কৌশলগত পরিকল্পনা সম্পর্কে সরাসরি উত্তর না দিলেও তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, তার দেশ কোনোভাবেই নতি স্বীকার করবে না।
  • যেকোনো ধরনের সংঘাত মোকাবিলায় ইসরাইলি সামরিক বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে বলে তিনি জানান।

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যে বড় যুদ্ধের সতর্কবার্তা দিল কাতার

External comments notice: You may need to sign in to the external service to view or post comments.
dailydigantapratidin.com
dailydigantapratidin.com

মধ্যপ্রাচ্যে বড় যুদ্ধের সতর্কবার্তা দিল কাতার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৪৭ পিএম
মধ্যপ্রাচ্যে বড় যুদ্ধের সতর্কবার্তা দিল কাতার

মধ্যপ্রাচ্যে বিদ্যমান চরম সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক মধ্যস্থতা ও পরোক্ষ আলোচনা চলমান রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে কাতার। মঙ্গলবার দোহায় অনুষ্ঠিত ‘গ্লোবাল সিকিউরিটি ফোরাম’-এ এমন তথ্য জানান কাতারের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ড. মাজেদ বিন মোহাম্মদ আল-আনসারি। তিনি স্পষ্ট করেন যে, বর্তমান উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেও ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে পর্যায়ভিত্তিক আলাপ-আলোচনা থমকে যায়নি।

আরও পড়ুন: তুরস্কের সঙ্গে সংঘাতের ইঙ্গিত দিলেন নেতানিয়াহু

আলোচনার গোপনীয়তা রক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করে আল-আনসারি বলেন, মিডিয়ায় এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ না পাওয়াই প্রমাণ করে যে মধ্যস্থতাকারীরা তাদের দায়িত্ব নিভৃতে পালন করে যাচ্ছেন। তবে একই সঙ্গে তিনি এক ভয়াবহ পরিণতির ব্যাপারে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, এই সংঘাত অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়লে পুরো অঞ্চল এক ধ্বংসাত্মক বৈশ্বিক যুদ্ধের সম্মুখীন হবে, যা কেবল মধ্যপ্রাচ্য নয় বরং আন্তর্জাতিক শান্তিকেও মারাত্মক ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেবে।

আরও পড়ুন: সাইবার আইন নিয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার গভীর উদ্বেগ

আঞ্চলিক অস্থিরতা নিরসনের ওপর জোর দিয়ে তিনি জানান, অতীতের যুদ্ধবিরতিগুলো স্থায়ী সমাধান দিতে ব্যর্থ হওয়ায় নতুন করে সংঘাত শুরু হয়েছে। যেকোনো যুদ্ধবিরতিকে তিনি দীর্ঘস্থায়ী শান্তির একটি প্রবেশদ্বার হিসেবে অভিহিত করেছেন। এ সময় তিনি ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির জন্য এই আঞ্চলিক অস্থিরতাকে ব্যবহারের কড়া সমালোচনা করেন।

সৌদি আরবের নিরাপত্তা ইস্যুতে কাতার তার পূর্ণ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে। আল-আনসারি জানান, নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ভ্রাতৃপ্রতিম রাষ্ট্র সৌদি আরব যেকোনো পদক্ষেপ নিলে তার পাশে রয়েছে কাতার। বিশেষ করে হুথি বিদ্রোহীদের হামলার বিপরীতে রিয়াদের অবস্থানকে সমর্থন জানিয়ে তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরাতে আঞ্চলিক সংকটগুলো সমন্বিতভাবে সমাধান করা প্রয়োজন।

External comments notice: You may need to sign in to the external service to view or post comments.
dailydigantapratidin.com
dailydigantapratidin.com

সাইবার আইন নিয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার গভীর উদ্বেগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৪৭ পিএম
সাইবার আইন নিয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার গভীর উদ্বেগ

বাংলাদেশের প্রস্তাবিত সাইবার নিরাপত্তা আইনের সংশোধনী ও গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের নতুন কাঠামো নিয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ‘লা ফুনেত্র দ্য পারিস’ তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ২০২৬ সালের খসড়া সাইবার আইনের বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করে সংস্থাটি বলছে, এতে স্বাধীন সাংবাদিকতা ও গণতান্ত্রিক অধিকার মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। প্যারিসভিত্তিক এই সংগঠনটি জানায়, আইনে থাকা অস্পষ্ট ধারা, বিনা পরোয়ানায় তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেপ্তারের ক্ষমতা এবং বিচারিক তদারকি ছাড়া কনটেন্ট বন্ধ করার বিধান মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে সংকুচিত করবে। এছাড়া ‘গুজব’ ও ‘ভুল তথ্য’র মতো অস্পষ্ট বিষয়গুলোকে অপরাধের সংজ্ঞায় অন্তর্ভুক্ত করায় উদ্বেগের মাত্রা আরও বেড়েছে। গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, ২০২৬ সালের খসড়া সাইবার আইনের বিভিন্ন ধারা নিয়ে সামপ্রতিক বিশ্লেষণে স্বাধীন সাংবাদিকতা ও গণতান্ত্রিক অধিকারের জন্য উদ্বেগজনক বিষয় উঠে এসেছে। প্রস্তাবিত কাঠামোয় জামিন অযোগ্য অপরাধের কঠোর বিধান বহাল রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যে বড় যুদ্ধের সতর্কবার্তা দিল কাতার

বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, আগাম বিচারিক অনুমোদন ছাড়া কর্তৃপক্ষের এমন ব্যাপক ক্ষমতা সাইবার জগতে অনিয়ন্ত্রিত নজরদারি ও নিপীড়নের সুযোগ তৈরি করবে। এর ফলে সাংবাদিক, কার্টুনিস্ট ও মানবাধিকারকর্মীরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগবেন এবং গণমাধ্যমগুলো স্ব-আরোপিত সেন্সরশিপের দিকে ঠেলে দেওয়া হবে। রাজনৈতিক সমালোচনা বা অনুসন্ধানী সাংবাদিকতাকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করার এই প্রক্রিয়া আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের পরিপন্থী বলে মনে করছে সংস্থাটি। কোনো বিধিনিষেধ আরোপের ক্ষেত্রে তা অবশ্যই স্পষ্ট আইনের ভিত্তিতে, বৈধ উদ্দেশ্যে এবং প্রয়োজনীয় অনুপাতে হতে হবে বলে তারা স্মরণ করিয়ে দিয়েছে। একই সঙ্গে সাংবাদিক, কার্টুনিস্ট ও মানবাধিকারকর্মীদের নিরাপত্তাও মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর যেকোনো বিধিনিষেধ আরোপের ক্ষেত্রে তিনটি শর্ত পূরণের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছে এই সংস্থা।

আরও পড়ুন: আফগানিস্তানের কাছে বড় হারে ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় বাংলাদেশের

মানবাধিকার সংস্থাটি সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণাপত্র ও নাগরিক-রাজনৈতিক অধিকার বিষয়ক আন্তর্জাতিক চুক্তির ১৯ নম্বর অনুচ্ছেদের প্রসঙ্গ টেনে বলেছে, তথ্য ও ধারণা আদান-প্রদান করা মানুষের স্বীকৃত অধিকার। আইনকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে তারা বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে, সাইবার অপরাধের সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা নির্ধারণ এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট সাংবাদিকতা ও রাজনৈতিক মতপ্রকাশের সুরক্ষা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে যেকোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষেত্রে বিচারিক অনুমোদনের প্রক্রিয়া পুনর্বহাল করতে হবে। এছাড়া, বাংলাদেশের সম্পাদক পরিষদ ও সুশীল সমাজের উদ্বেগের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে সংস্থাটি অবিলম্বে আইনি কাঠামোয় প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনার তাগিদ দিয়েছে। প্রস্তাবিত আইনটি যেন নিপীড়নের হাতিয়ার না হয়ে ওঠে, সে বিষয়ে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে আন্তর্জাতিক এই সংস্থাটি।

External comments notice: You may need to sign in to the external service to view or post comments.
dailydigantapratidin.com
dailydigantapratidin.com