শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩

তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে আজ জানা যেতে পারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৩৯ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে আজ জানা যেতে পারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের বিষয়টি বর্তমানে পুরোপুরি নয়াদিল্লির সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর দ্রুত দিল্লি সফর করেন। উদ্দেশ্য ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে ঢাকার সুনির্দিষ্ট বার্তা পৌঁছে দেওয়া। গত ১১ই আগস্ট সন্ধ্যায় ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ত্রিবেদীর বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

সেই আলোচনার ফিরতি বার্তা নিয়ে শুক্রবার বিকেলে ঢাকায় ফিরেছেন তিনি। কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, আজ দিনের যেকোনো সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করবেন ভারতীয় হাইকমিশনার। এই আলোচনার পরই স্পষ্ট হবে প্রধানমন্ত্রী ভারত সফরে যাচ্ছেন কি না। নয়াদিল্লির কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেলে এ মাসেই সফরের সম্ভাবনা রয়েছে, অন্যথায় ঢাকা বিকল্প পথে হাঁটতে পারে।

শেখ হাসিনার পতনের পর দুই দেশের সম্পর্কে যে স্থবিরতা তৈরি হয়েছিল, তা কাটিয়ে উঠতে ভারত তৎপর। গত ১২ই জুন ঢাকায় দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে দীনেশ ত্রিবেদী সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। গত ১০ই আগস্ট তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে প্রথমবার সাক্ষাৎ করেন। ওই বৈঠকে ঢাকার পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নিতে হলে বাংলাদেশের জন্য অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

এর আগে ৩০শে জুলাই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের সময় ত্রিবেদী জানিয়েছিলেন, ভারত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সফরের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। মূলত এরপর থেকেই সফরের আলোচনা গতি পায়, যদিও বাংলাদেশ সরকার বারবার জানিয়েছে যে এখনো কোনো দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়নি।

সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রক্রিয়ায় বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড। গত ৫ই আগস্ট নয়াদিল্লির ফরেন করেসপন্ডেন্ট ক্লাবের অনলাইন অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার বক্তব্য দুই দেশের সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

এর দুই দিন আগেই ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনারকে তলব করে সতর্ক করা হয়েছিল যে, হাসিনা ভারতে বসে অস্থিরতা সৃষ্টির সুযোগ পেলে তা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে আঘাত হানবে। কিন্তু ভারত সরকার তাকে বিরত রাখতে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। এই ঘটনার কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকা। গত ৯ই আগস্ট পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে ভারতীয় হাইকমিশনারকে ঢাকার ক্ষোভের বিষয়টি সরাসরি জানানো হয়। ড. খলিল আশা প্রকাশ করেছেন, ভারতীয় কর্তৃপক্ষ ঢাকার উদ্বেগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে অনুধাবন করবে।

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের টানাপোড়েনের পাশাপাশি হাসিনার প্রত্যর্পণ ইস্যুটিও এখন ঢাকার অন্যতম প্রধান দাবি। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর ত্রিবেদী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেছেন। এসব বৈঠকে ঢাকা বারবার দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে অনুকূল পরিবেশ তৈরির তাগিদ দিয়েছে।

ভারতীয় দূত অবশ্য সাংবাদিকদের ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, দুই দেশের সরকার প্রধানের সরাসরি আলোচনার মাধ্যমেই অনেক জটিল সমস্যার সমাধান সম্ভব। তবে ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফর মালয়েশিয়ায় এবং দ্বিতীয় সফর চীনে হওয়ায় ভারত বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। বেইজিং সফরের সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতেই ত্রিবেদী প্রেসিডেন্টের কাছে পরিচয়পত্র জমা দিয়েছিলেন।

ব্রিকস সম্মেলন নিয়েও তৈরি হয়েছে বিভ্রান্তি। গত ২৩শে জুলাই পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ জানিয়েছিলেন, সেপ্টেম্বরে ব্রিকসের আউটরিচ পর্বে তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তবে ঢাকা মনে করে, আমন্ত্রণপত্রটি যথাযথ ছিল না কারণ সেখানে তাকে বিমসটেকের চেয়ার হিসেবে ডাকা হয়েছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী পরে স্পষ্ট করেছেন যে, প্রধানমন্ত্রীকে ব্রিকসে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি, বরং বিমসটেক চেয়ারম্যান হিসেবে আমন্ত্রণ এসেছে। এই জটিলতার কারণে প্রধানমন্ত্রীর ব্রিকস সম্মেলনে যোগদানের বিষয়টি প্রায় অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এখন সব মিলিয়ে নয়াদিল্লির ফিরতি বার্তার ওপরই নির্ভর করছে দুই দেশের পরবর্তী কূটনৈতিক পদক্ষেপ।

ঢাকায় পা রাখার ৫৯ দিন পর গত ১০ই আগস্ট প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাক্ষাৎ পান ত্রিবেদী।

ঢাকার সতর্কবার্তার পরেও হাসিনা কথা বলেন এবং বাংলাদেশের বর্তমান সরকারকে নিয়ে তীব্রভাবে বিষোদ্গার করেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়াটি ছিল নজিরবিহীন।

ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচিত সরকার গঠনের আবহে সেই সম্পর্ক পুনরুদ্ধারে ভারতকে বিশেষ মনোযোগী হতে দেখা যায়।

পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতায় গত এপ্রিলে ঢাকায় নতুন দূত প্রেরণের ঘোষণা দেয় দিল্লি।

এই ঘটনার দুইদিন আগে ত্রিবেদীকে ডেকে ঢাকার তরফে সতর্ক করা হয়েছিল।

পরে অবশ্য নয়াদিল্লিও দায়সারা প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে।

দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, বাংলাদেশের নির্বাচিত সরকারকে নিয়ে হাসিনার কোনো বক্তব্যে তাদের সমর্থন নেই।

পাশাপাশি হাসিনার প্রত্যর্পণ ইস্যু ত্বরান্বিত করার বিষয়েও তাগাদা দেয়া হয়।

সরকার গঠনের পর প্রথমেই তারেক রহমানকে সফরে নেয়ার আগ্রহের কথা জানায় বাংলাদেশের সঙ্গে চার হাজার কিলোমিটার সীমান্ত ভাগ করে নেয়া প্রতিবেশী ভারত।

১৭ই ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে নয়াদিল্লির সেই আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দেন দেশটির স্পিকার ওম বিড়লা।

সেখান থেকে দ্বিতীয় সফরে চীন যান ঢাকার জাতীয়তাবাদী সরকারের প্রধান।

এর পরের দিন প্রায় ১৮ মাস বন্ধ রাখা ভারতীয় ভিসা সেন্টার খোলার ঘোষণা দেয়া হয়।

দাওয়াত দেয়া হয়েছে বিমসটেক-এর চেয়ারম্যানকে।

ঢাকায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গর ঢাকায় আসার ঠিক একদিন আগে।

ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোতে বলা হচ্ছে, আগামী সপ্তাহেই এ সফর হতে পারে।

আরও পড়ুন: আগামী পাঁচ দিন সারা দেশে বৃষ্টির পূর্বাভাস: কোথায় কেমন থাকবে আবহাওয়া

External comments notice: You may need to sign in to the external service to view or post comments.
dailydigantapratidin.com
dailydigantapratidin.com

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিতে কলকাতা ও মুম্বাইসহ দক্ষিণ এশিয়ার কোটি মানুষের বসত হারানোর ঝুঁকি

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:২১ এম
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিতে কলকাতা ও মুম্বাইসহ দক্ষিণ এশিয়ার কোটি মানুষের বসত হারানোর ঝুঁকি

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিতে কলকাতা ও মুম্বাইসহ দক্ষিণ এশিয়ার কোটি মানুষের বসত হারানোর ঝুঁকি

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এখন আর কোনো দূরবর্তী আশঙ্কা নয়, বরং এটি বর্তমান সময়ে দ্রুতগতিতে ঘটে চলা এক বাস্তব হুমকি। জাতিসংঘ মহাসচিবের ‘সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি সম্পর্কিত চ্যালেঞ্জ এবং তা মোকাবেলার উপায় ও পন্থা’ শীর্ষক এক নতুন প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। নথিভুক্ত ইতিহাসের যেকোনো সময়ের তুলনায় বর্তমানে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির হার অনেক বেশি এবং তা ক্রমাগত ত্বরান্বিত হচ্ছে, যা উন্নত ও উন্নয়নশীল সব দেশের জন্যই বড় ধরনের বিপদ ডেকে আনছে।

আরও পড়ুন

সোমবার প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ার ফলে শহুরে অবকাঠামো, বিদ্যুৎ গ্রিড, পরিবহন নেটওয়ার্ক, পানি সরবরাহ ব্যবস্থা এবং ভূগর্ভস্থ পানিসম্পদ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই পরিস্থিতি দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন ও আর্থিক স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলার পাশাপাশি মানবাধিকারের কার্যকর ভোগের ক্ষেত্রেও বাধা সৃষ্টি করছে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, এই ঝুঁকির ধরন অঞ্চলভেদে ভিন্ন। যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামি ও নিউ ইয়র্ক এবং চীনের গুয়াংঝৌয়ের মতো উচ্চ-আয়ের শহরগুলোতে উপকূলীয় অবকাঠামোর ওপর বড় ধরনের আর্থিক ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এসব শহরে ঝুঁকিতে থাকা সম্পদের পরিমাণ প্রায় ২ ট্রিলিয়ন থেকে ৩ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার।

অন্যদিকে, দক্ষিণ এশিয়ার নিম্নভূমির ব-দ্বীপ অঞ্চলগুলোর চিত্র ভিন্ন। ভারতের কলকাতা ও মুম্বাই এবং বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার মতো শহরগুলোতে সবচেয়ে বড় সংকট হলো মানুষের বাস্তুচ্যুতি। এই শহরগুলোতে ১ কোটি ৪০ লাখেরও বেশি মানুষ স্থায়ীভাবে জলমগ্ন হওয়ার কারণে ঘরবাড়ি হারানোর তাৎক্ষণিক ঝুঁকিতে রয়েছেন। প্রতিবেদনে উপকূলীয় দুর্বলতা ও ঝুঁকি মূল্যায়নের জন্য ব্যবহৃত সূচকগুলোকে আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি মানবজীবন ও বাস্তুচ্যুতির মতো সামাজিক ঝুঁকিগুলোকেও সমান গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে মঙ্গলবার এনডিটিভি অনলাইন এ তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এতে উল্লেখ করা হয়েছে, এই ঝুঁকিগুলোর প্রকৃতি অঞ্চলভেদে ভিন্ন।

আরও পড়ুন: হিমালয়ের দুর্যোগ মোকাবিলায় বৈশ্বিক দায়িত্বের আহ্বান শাহর

আরও পড়ুন: সেপ্টেম্বরের পরও বাংলাদেশের কাতারি এলএনজি সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা

External comments notice: You may need to sign in to the external service to view or post comments.
dailydigantapratidin.com
dailydigantapratidin.com

বিপিএলে দুর্নীতির দায়ে বিসিবির সাবেক পরিচালকসহ তিনজনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:১৭ এম
বিপিএলে দুর্নীতির দায়ে বিসিবির সাবেক পরিচালকসহ তিনজনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা

বিপিএলে দুর্নীতির দায়ে বিসিবির সাবেক পরিচালকসহ তিনজনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ১২তম আসরে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে বিসিবির সাবেক পরিচালকসহ তিনজনকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী কোড (আইসিসি অ্যান্টি-করাপশন কোড, ২০২৪) ভঙ্গের অপরাধে তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জ গঠন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানায়, বিসিবির অ্যান্টি-করাপশন ইউনিটের (বিসিবিআইইউ) তদন্তের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তদের আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য ১৪ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হলে তাদের বিরুদ্ধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বর্তমানে বিষয়টি ডিসিপ্লিনারি প্রক্রিয়ার অধীন থাকায় বিসিবি এ বিষয়ে বাড়তি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

আরও পরুন 

অভিযুক্তদের তালিকা ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগসমূহ

  • মুহাম্মদ মুখলেসুর রহমান (শামীম): বিসিবির সাবেক পরিচালক ও অডিট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান। তার বিরুদ্ধে ম্যাচ ফিক্সিং বা অনৈতিক প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা (ধারা ২.১.১), অন্যকে দুর্নীতিতে প্ররোচিত করা (ধারা ২.১.৪), ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পাওয়ার কথা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে না জানানো (ধারা ২.৪.৪) এবং তথ্য মুছে ফেলে তদন্তে বাধা দেওয়ার (ধারা ২.৪.৭) অভিযোগ রয়েছে।
  • জাকির হোসেন: সাবেক সিকিউরিটি লিয়াজোঁ অফিসার (এসএলও)। তার বিরুদ্ধে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের চেষ্টা (ধারা ২.১.১), অনৈতিক কাজে প্ররোচনা (ধারা ২.১.৪) এবং তদন্তে অসহযোগিতা ও লিগ্যাল নোটিশের জবাব না দেওয়ার (ধারা ২.৪.৬) অভিযোগ আনা হয়েছে।
  • রাকিবুল ইসলাম সানি: বগুড়া জেলার সাবেক বিসিবি কাউন্সিলর ও অডিট কমিটির সাবেক সদস্য সচিব। তার বিরুদ্ধে অনৈতিক প্রস্তাব পাওয়ার বিষয়টি সময়মতো না জানানো (ধারা ২.৪.৪) এবং তদন্তে সহযোগিতা না করার (ধারা ২.৪.৬) অভিযোগ রয়েছে।

দেশের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার মধ্যে রয়েছে টিআইবির নতুন বেতনস্কেল বাস্তবায়নের আহ্বান, আগস্ট মাসে ৫৫ নারী-শিশু হত্যা ও ৫৪ জনের ধর্ষণের শিকার হওয়ার মতো উদ্বেগজনক পরিসংখ্যান এবং ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি। এছাড়া, ম্যানচেস্টার সিটিতে এনজোর রেকর্ড গড়া ট্রান্সফার এবং তামিম ইকবালের এমসিসির আজীবন সদস্যপদ পাওয়ার মতো বিষয়গুলোও ক্রীড়াঙ্গনে আলোচিত হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ডিসমিসল্যাবের অনুসন্ধান / টাকা দিলেই মিলছে যে কারও কললিস্ট, লোকেশন ও এনআইডির তথ্য। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আগস্টে ৫৫ নারী-শিশু হত্যা, ৫৪ জনকে ধর্ষণ: মহিলা পরিষদ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ডেঙ্গু: টানা চতুর্থ দিন ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তির রেকর্ড, মোট মৃত্যু ১০০ ছাড়াল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিবিসির খবর / রেকর্ড ছুঁয়ে ২০৭৪ কোটি টাকায় ম্যান সিটিতে যাচ্ছেন আর্জেন্টিনার এনজো। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এই তিনজনকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ (প্রোভিশনাল সাসপেনশন) করা হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ভারতের বাংলাদেশ সফর নিয়ে এখনও আশা ছাড়ছেন না তামিম। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিসিবির মেডিকেল আপডেট: কার চোট কতটা গুরুতর।

আরও পড়ুন: মেসির অবসরে আবেগঘন শ্রদ্ধা জানালেন বাংলাদেশের জাতীয় দলের ফুটবলাররা

External comments notice: You may need to sign in to the external service to view or post comments.
dailydigantapratidin.com
dailydigantapratidin.com

প্রেক্ষাপট: সরকার আন্তরিক হলে ঢাকাকে বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করা সম্ভব: সেলিম উদ্দিন

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:১৩ এম
প্রেক্ষাপট: সরকার আন্তরিক হলে ঢাকাকে বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করা সম্ভব: সেলিম উদ্দিন

প্রেক্ষাপট: সরকার আন্তরিক

সরকারের আন্তরিকতা থাকলে ঢাকাকে বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর বারিধারায় জামায়াতের ঢাকা মহানগর উত্তর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, জনগণকে অভিযোগ দায়েরের পরিবেশ তৈরি করতে হবে এবং সেই অভিযোগগুলো যথাযথভাবে নিষ্পত্তি করতে হবে। প্রতি মাসে কতগুলো অভিযোগ নিষ্পত্তি হয়েছে, তা জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে। সরকার এসব পদক্ষেপ নিলে বিরোধী দল সহযোগিতা করতে প্রস্তুত আছে।

আরও পড়ুন

‘ক্লিন ঢাকা’ কর্মসূচির সাফল্য ও তথ্য

সংবাদ সম্মেলনে সেলিম উদ্দিন জানান, গত ২৫ থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ঢাকা মহানগর উত্তরে সপ্তাহব্যাপী ‘ক্লিন ঢাকা’ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় নগরীর ৫৪টি ওয়ার্ডে ব্যাপক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হয়েছে। সাত দিনে ২৯০টি খাল ও ড্রেন পরিষ্কার করা হয়েছে এবং ২০৪ টন বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। তিনিসহ ২৫ হাজার ৮২৮ জন দলীয় স্বেচ্ছাসেবক এসব কাজ করেছেন। এ সময় সাধারণ মানুষও তাদের সঙ্গে অংশ নিয়েছেন। তিনি জানান, ৮ সেপ্টেম্বর বিশ্ব সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে বর্জ্য থেকে তৈরি করা কলম শিক্ষার্থীদের উপহার দেওয়া হবে।

নগর উন্নয়নে সেলিম উদ্দিনের প্রস্তাবনা

  • ফুটপাতে ব্যবসা করা হকারদের পুনর্বাসন করতে হবে এবং সিটি করপোরেশন চাইলে তাদের জন্য ১০টি হলিডে মার্কেট তৈরি করতে পারে।
  • মশা নিধনের জন্য মৌসুমি কার্যক্রমের পরিবর্তে ১২ মাসব্যাপী কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে এবং প্রতি মাসের কাজের হিসাব জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে।
  • সিটি করপোরেশনকে জানাতে হবে কবে নাগাদ ঢাকা শহরের খাল ও খেলার মাঠ দখলমুক্ত করা সম্ভব হবে।
  • খালের বর্তমান অবস্থা ও দখলের সঙ্গে জড়িতদের পরিচয় প্রকাশ করতে হবে এবং আগামী বর্ষার আগেই ড্রেন শতভাগ পরিষ্কার করার তথ্য নিশ্চিত করতে হবে।

সেলিম উদ্দিন আরও বলেন, সিটি করপোরেশন নির্বাচন যাতে দখলদারি ও কারচুপিমুক্ত হয়, তা নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিশ্চিত করতে হবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তার এই উদ্যোগের মাধ্যমেই প্রমাণিত হয়েছে যে, সরকার ঢাকাকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও দখলমুক্ত রাখার কাজে সফল নয়, যার পেছনে দুর্নীতিবাজ নেতৃত্ব দায়ী। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের ঢাকা মহানগর উত্তরের সেক্রেটারি রেজাউল করিম, সহকারী সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান, ইয়াসিন আরাফাত এবং প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক আতাউর রহমান সরকারসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

আরও পড়ুন: ঝিনাইদহে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

আরও পড়ুন: বিভিন্ন পেশার ৬৫০ জনের জামায়াতে যোগদান, তালিকায় বিএনপি নেতা

External comments notice: You may need to sign in to the external service to view or post comments.
dailydigantapratidin.com
dailydigantapratidin.com