শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩

কোটি টাকা খরচেও অকার্যকর বেনাপোলের ওজন নিয়ন্ত্রণ স্কেল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৩২ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কোটি টাকা খরচেও অকার্যকর বেনাপোলের ওজন নিয়ন্ত্রণ স্কেল

যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে অতিরিক্ত পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল নিয়ন্ত্রণে স্থাপন করা এক্সেল লোড কন্ট্রোল স্টেশন কার্যত কোনো কাজে আসছে না। স্টেশনটি পরিচালনায় সরকারকে প্রতিবছর প্রায় ২ কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয় করতে হলেও অতিরিক্ত পণ্য বহন বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বেনাপোলের পণ্য পরিবহনকারী ব্যবসায়ী ও বাণিজ্যিক সংগঠনগুলোর সহযোগিতা না পাওয়ায় ওজন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা কার্যকর করা সম্ভব হচ্ছে না। ব্যবসায়ীদের মূল আপত্তি হলো—ভোমরা, নওয়াপাড়া ও মোংলা বন্দরসংলগ্ন সড়কে একই ধরনের ওজন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা না থাকায় শুধু বেনাপোল রুটে স্কেল চালু হলে এই বন্দরের ব্যবসা অন্যত্র চলে যেতে পারে

  • ১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে স্থাপন

সড়ক উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণে প্রতিবছর বিপুল অর্থ ব্যয় করা হলেও অতিরিক্ত পণ্য বহনকারী যানবাহনের কারণে অনেক সড়ক দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। একই সঙ্গে অতিরিক্ত ওজনের ট্রাক দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়াচ্ছে।

বাংলাদেশ-ভারত স্থলবাণিজ্যের বড় অংশ বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে পরিচালিত হয়। এ কারণে যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের ওপর যানবাহনের চাপও বেশি।

সড়কটি সুরক্ষায় জাইকার অর্থায়নে প্রায় ১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০২২ সালে বেনাপোল পৌর গেট এলাকায় ওয়িং স্কেল স্থাপন করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। পরে স্কেল পরিচালনার জন্য ২০২৪ সালের ১৫ আগস্ট ৪ কোটি ৪৭ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করা হয়।

গত বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে কর্মকর্তা, প্রকৌশলী ও কর্মচারীসহ ৪২ জন স্কেল পরিচালনার কাজে নিয়োজিত রয়েছেন। নিরাপত্তার জন্য রয়েছেন আরও সাতজন আনসার সদস্য।

  • জরিমানার বিধান থাকলেও প্রয়োগ নেই

অতিরিক্ত পণ্য বহনের ক্ষেত্রে প্রথম অতিরিক্ত টনের জন্য ৫ হাজার টাকা এবং পরবর্তী প্রতি টনের জন্য ১০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে। কিন্তু স্কেলে অতিরিক্ত ওজন শনাক্ত হওয়ার পরও জরিমানা আদায় কিংবা অতিরিক্ত পণ্য পরিবহন বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া যাচ্ছে না।

ফলে একদিকে সরকারের ব্যয় করা অর্থের সুফল মিলছে না, অন্যদিকে অতিরিক্ত ওজনের পণ্যবাহী যান চলাচলের কারণে মহাসড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে।

  • ব্যবসায়ীদের দাবি চার বন্দরেই স্কেল

বেনাপোল ট্রান্সপোর্ট এজেন্সি মালিক সমিতির সভাপতি আতিকুজ্জমান সনি বলেন, পদ্মার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বেনাপোল ছাড়াও ভোমরা, নওয়াপাড়া ও মোংলা বন্দর রয়েছে। এসব বন্দরের সড়কে ওজন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা না রেখে শুধু বেনাপোল সড়কে স্কেল চালু করাকে তারা বৈষম্যমূলক সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন।

তার দাবি, চারটি বন্দরের সড়কেই ওজন নিয়ন্ত্রণ স্কেল চালু করা হলে ব্যবসায়ীদের আপত্তি থাকবে না। শুধু বেনাপোল রুটে ব্যবস্থা কার্যকর করা হলে পণ্য পরিবহনকারীরা অন্য বন্দরের দিকে চলে যেতে পারেন, এতে বেনাপোল বন্দর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বেনাপোলের ব্যবসায়ী সাজেদুর রহমানও একই ধরনের দাবি জানিয়েছেন। তার মতে, আশপাশের বন্দরের সড়কে ওজন নিয়ন্ত্রণ না থাকলে শুধু বেনাপোল রুটে অতিরিক্ত ওজনের জন্য জরিমানা দিতে ব্যবসায়ীরা আগ্রহী হবেন না।

  • পুলিশের বক্তব্য

নাভারন হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রোকনুজ্জামান জানান, বেনাপোল দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর হওয়ায় প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক পণ্যবাহী ট্রাক এই মহাসড়ক দিয়ে চলাচল করে।

তিনি বলেন, অনেক ট্রাকে অতিরিক্ত পণ্য থাকলেও ওজনের স্লিপ না থাকায় সেগুলোর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এ সমস্যা সমাধানের জন্যই বেনাপোল পৌর গেটে ওজন নিয়ন্ত্রণ স্কেল স্থাপন করা হয়েছে।

তবে ব্যবসায়ীদের অসহযোগিতার কারণে কয়েক কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই ব্যবস্থা কার্যকর করা যাচ্ছে না বলে জানান তিনি। স্কেলটি চালু করতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা

তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় সূত্র

 

আরও পড়ুন: দুই দিন ধরে গ্যাস সংকটে কুমিল্লা নগরী, রান্না নিয়ে চরম ভোগান্তি

আরও পড়ুন: চাঁদপুরে ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে নবম শ্রেণির ছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু

External comments notice: You may need to sign in to the external service to view or post comments.
dailydigantapratidin.com
dailydigantapratidin.com

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিতে কলকাতা ও মুম্বাইসহ দক্ষিণ এশিয়ার কোটি মানুষের বসত হারানোর ঝুঁকি

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:২১ এম
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিতে কলকাতা ও মুম্বাইসহ দক্ষিণ এশিয়ার কোটি মানুষের বসত হারানোর ঝুঁকি

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিতে কলকাতা ও মুম্বাইসহ দক্ষিণ এশিয়ার কোটি মানুষের বসত হারানোর ঝুঁকি

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এখন আর কোনো দূরবর্তী আশঙ্কা নয়, বরং এটি বর্তমান সময়ে দ্রুতগতিতে ঘটে চলা এক বাস্তব হুমকি। জাতিসংঘ মহাসচিবের ‘সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি সম্পর্কিত চ্যালেঞ্জ এবং তা মোকাবেলার উপায় ও পন্থা’ শীর্ষক এক নতুন প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। নথিভুক্ত ইতিহাসের যেকোনো সময়ের তুলনায় বর্তমানে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির হার অনেক বেশি এবং তা ক্রমাগত ত্বরান্বিত হচ্ছে, যা উন্নত ও উন্নয়নশীল সব দেশের জন্যই বড় ধরনের বিপদ ডেকে আনছে।

আরও পড়ুন

সোমবার প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ার ফলে শহুরে অবকাঠামো, বিদ্যুৎ গ্রিড, পরিবহন নেটওয়ার্ক, পানি সরবরাহ ব্যবস্থা এবং ভূগর্ভস্থ পানিসম্পদ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই পরিস্থিতি দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন ও আর্থিক স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলার পাশাপাশি মানবাধিকারের কার্যকর ভোগের ক্ষেত্রেও বাধা সৃষ্টি করছে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, এই ঝুঁকির ধরন অঞ্চলভেদে ভিন্ন। যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামি ও নিউ ইয়র্ক এবং চীনের গুয়াংঝৌয়ের মতো উচ্চ-আয়ের শহরগুলোতে উপকূলীয় অবকাঠামোর ওপর বড় ধরনের আর্থিক ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এসব শহরে ঝুঁকিতে থাকা সম্পদের পরিমাণ প্রায় ২ ট্রিলিয়ন থেকে ৩ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার।

অন্যদিকে, দক্ষিণ এশিয়ার নিম্নভূমির ব-দ্বীপ অঞ্চলগুলোর চিত্র ভিন্ন। ভারতের কলকাতা ও মুম্বাই এবং বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার মতো শহরগুলোতে সবচেয়ে বড় সংকট হলো মানুষের বাস্তুচ্যুতি। এই শহরগুলোতে ১ কোটি ৪০ লাখেরও বেশি মানুষ স্থায়ীভাবে জলমগ্ন হওয়ার কারণে ঘরবাড়ি হারানোর তাৎক্ষণিক ঝুঁকিতে রয়েছেন। প্রতিবেদনে উপকূলীয় দুর্বলতা ও ঝুঁকি মূল্যায়নের জন্য ব্যবহৃত সূচকগুলোকে আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি মানবজীবন ও বাস্তুচ্যুতির মতো সামাজিক ঝুঁকিগুলোকেও সমান গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে মঙ্গলবার এনডিটিভি অনলাইন এ তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এতে উল্লেখ করা হয়েছে, এই ঝুঁকিগুলোর প্রকৃতি অঞ্চলভেদে ভিন্ন।

আরও পড়ুন: হিমালয়ের দুর্যোগ মোকাবিলায় বৈশ্বিক দায়িত্বের আহ্বান শাহর

আরও পড়ুন: সেপ্টেম্বরের পরও বাংলাদেশের কাতারি এলএনজি সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা

External comments notice: You may need to sign in to the external service to view or post comments.
dailydigantapratidin.com
dailydigantapratidin.com

বিপিএলে দুর্নীতির দায়ে বিসিবির সাবেক পরিচালকসহ তিনজনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:১৭ এম
বিপিএলে দুর্নীতির দায়ে বিসিবির সাবেক পরিচালকসহ তিনজনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা

বিপিএলে দুর্নীতির দায়ে বিসিবির সাবেক পরিচালকসহ তিনজনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ১২তম আসরে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে বিসিবির সাবেক পরিচালকসহ তিনজনকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী কোড (আইসিসি অ্যান্টি-করাপশন কোড, ২০২৪) ভঙ্গের অপরাধে তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জ গঠন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানায়, বিসিবির অ্যান্টি-করাপশন ইউনিটের (বিসিবিআইইউ) তদন্তের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তদের আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য ১৪ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হলে তাদের বিরুদ্ধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বর্তমানে বিষয়টি ডিসিপ্লিনারি প্রক্রিয়ার অধীন থাকায় বিসিবি এ বিষয়ে বাড়তি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

আরও পরুন 

অভিযুক্তদের তালিকা ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগসমূহ

  • মুহাম্মদ মুখলেসুর রহমান (শামীম): বিসিবির সাবেক পরিচালক ও অডিট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান। তার বিরুদ্ধে ম্যাচ ফিক্সিং বা অনৈতিক প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা (ধারা ২.১.১), অন্যকে দুর্নীতিতে প্ররোচিত করা (ধারা ২.১.৪), ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পাওয়ার কথা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে না জানানো (ধারা ২.৪.৪) এবং তথ্য মুছে ফেলে তদন্তে বাধা দেওয়ার (ধারা ২.৪.৭) অভিযোগ রয়েছে।
  • জাকির হোসেন: সাবেক সিকিউরিটি লিয়াজোঁ অফিসার (এসএলও)। তার বিরুদ্ধে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের চেষ্টা (ধারা ২.১.১), অনৈতিক কাজে প্ররোচনা (ধারা ২.১.৪) এবং তদন্তে অসহযোগিতা ও লিগ্যাল নোটিশের জবাব না দেওয়ার (ধারা ২.৪.৬) অভিযোগ আনা হয়েছে।
  • রাকিবুল ইসলাম সানি: বগুড়া জেলার সাবেক বিসিবি কাউন্সিলর ও অডিট কমিটির সাবেক সদস্য সচিব। তার বিরুদ্ধে অনৈতিক প্রস্তাব পাওয়ার বিষয়টি সময়মতো না জানানো (ধারা ২.৪.৪) এবং তদন্তে সহযোগিতা না করার (ধারা ২.৪.৬) অভিযোগ রয়েছে।

দেশের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার মধ্যে রয়েছে টিআইবির নতুন বেতনস্কেল বাস্তবায়নের আহ্বান, আগস্ট মাসে ৫৫ নারী-শিশু হত্যা ও ৫৪ জনের ধর্ষণের শিকার হওয়ার মতো উদ্বেগজনক পরিসংখ্যান এবং ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি। এছাড়া, ম্যানচেস্টার সিটিতে এনজোর রেকর্ড গড়া ট্রান্সফার এবং তামিম ইকবালের এমসিসির আজীবন সদস্যপদ পাওয়ার মতো বিষয়গুলোও ক্রীড়াঙ্গনে আলোচিত হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ডিসমিসল্যাবের অনুসন্ধান / টাকা দিলেই মিলছে যে কারও কললিস্ট, লোকেশন ও এনআইডির তথ্য। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আগস্টে ৫৫ নারী-শিশু হত্যা, ৫৪ জনকে ধর্ষণ: মহিলা পরিষদ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ডেঙ্গু: টানা চতুর্থ দিন ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তির রেকর্ড, মোট মৃত্যু ১০০ ছাড়াল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিবিসির খবর / রেকর্ড ছুঁয়ে ২০৭৪ কোটি টাকায় ম্যান সিটিতে যাচ্ছেন আর্জেন্টিনার এনজো। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এই তিনজনকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ (প্রোভিশনাল সাসপেনশন) করা হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ভারতের বাংলাদেশ সফর নিয়ে এখনও আশা ছাড়ছেন না তামিম। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিসিবির মেডিকেল আপডেট: কার চোট কতটা গুরুতর।

আরও পড়ুন: মেসির অবসরে আবেগঘন শ্রদ্ধা জানালেন বাংলাদেশের জাতীয় দলের ফুটবলাররা

External comments notice: You may need to sign in to the external service to view or post comments.
dailydigantapratidin.com
dailydigantapratidin.com

প্রেক্ষাপট: সরকার আন্তরিক হলে ঢাকাকে বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করা সম্ভব: সেলিম উদ্দিন

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:১৩ এম
প্রেক্ষাপট: সরকার আন্তরিক হলে ঢাকাকে বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করা সম্ভব: সেলিম উদ্দিন

প্রেক্ষাপট: সরকার আন্তরিক

সরকারের আন্তরিকতা থাকলে ঢাকাকে বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর বারিধারায় জামায়াতের ঢাকা মহানগর উত্তর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, জনগণকে অভিযোগ দায়েরের পরিবেশ তৈরি করতে হবে এবং সেই অভিযোগগুলো যথাযথভাবে নিষ্পত্তি করতে হবে। প্রতি মাসে কতগুলো অভিযোগ নিষ্পত্তি হয়েছে, তা জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে। সরকার এসব পদক্ষেপ নিলে বিরোধী দল সহযোগিতা করতে প্রস্তুত আছে।

আরও পড়ুন

‘ক্লিন ঢাকা’ কর্মসূচির সাফল্য ও তথ্য

সংবাদ সম্মেলনে সেলিম উদ্দিন জানান, গত ২৫ থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ঢাকা মহানগর উত্তরে সপ্তাহব্যাপী ‘ক্লিন ঢাকা’ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় নগরীর ৫৪টি ওয়ার্ডে ব্যাপক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হয়েছে। সাত দিনে ২৯০টি খাল ও ড্রেন পরিষ্কার করা হয়েছে এবং ২০৪ টন বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। তিনিসহ ২৫ হাজার ৮২৮ জন দলীয় স্বেচ্ছাসেবক এসব কাজ করেছেন। এ সময় সাধারণ মানুষও তাদের সঙ্গে অংশ নিয়েছেন। তিনি জানান, ৮ সেপ্টেম্বর বিশ্ব সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে বর্জ্য থেকে তৈরি করা কলম শিক্ষার্থীদের উপহার দেওয়া হবে।

নগর উন্নয়নে সেলিম উদ্দিনের প্রস্তাবনা

  • ফুটপাতে ব্যবসা করা হকারদের পুনর্বাসন করতে হবে এবং সিটি করপোরেশন চাইলে তাদের জন্য ১০টি হলিডে মার্কেট তৈরি করতে পারে।
  • মশা নিধনের জন্য মৌসুমি কার্যক্রমের পরিবর্তে ১২ মাসব্যাপী কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে এবং প্রতি মাসের কাজের হিসাব জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে।
  • সিটি করপোরেশনকে জানাতে হবে কবে নাগাদ ঢাকা শহরের খাল ও খেলার মাঠ দখলমুক্ত করা সম্ভব হবে।
  • খালের বর্তমান অবস্থা ও দখলের সঙ্গে জড়িতদের পরিচয় প্রকাশ করতে হবে এবং আগামী বর্ষার আগেই ড্রেন শতভাগ পরিষ্কার করার তথ্য নিশ্চিত করতে হবে।

সেলিম উদ্দিন আরও বলেন, সিটি করপোরেশন নির্বাচন যাতে দখলদারি ও কারচুপিমুক্ত হয়, তা নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিশ্চিত করতে হবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তার এই উদ্যোগের মাধ্যমেই প্রমাণিত হয়েছে যে, সরকার ঢাকাকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও দখলমুক্ত রাখার কাজে সফল নয়, যার পেছনে দুর্নীতিবাজ নেতৃত্ব দায়ী। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের ঢাকা মহানগর উত্তরের সেক্রেটারি রেজাউল করিম, সহকারী সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান, ইয়াসিন আরাফাত এবং প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক আতাউর রহমান সরকারসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

আরও পড়ুন: ঝিনাইদহে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

আরও পড়ুন: বিভিন্ন পেশার ৬৫০ জনের জামায়াতে যোগদান, তালিকায় বিএনপি নেতা

External comments notice: You may need to sign in to the external service to view or post comments.
dailydigantapratidin.com
dailydigantapratidin.com