গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ফিলিস্তিনি ক্রীড়াবিদদের প্রাণহানি এক হাজার ছাড়াল

গাজায় চলমান ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে নিহত ফিলিস্তিনি ক্রীড়াবিদদের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ১৪ জনে দাঁড়িয়েছে। ফিলিস্তিনি ক্রীড়া গণমাধ্যম ফেডারেশনের মহাসচিব মুস্তফা সিয়াম জানিয়েছেন, এই তালিকায় খেলোয়াড়দের পাশাপাশি কোচ, রেফারি ও ফিলিস্তিনি ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তারাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
সর্বশেষ শনিবার গাজা শহরের তাল আল-হাওয়ায় জাবালিয়া সার্ভিসেস ক্লাবের ডিফেন্ডার আবদেল ফাত্তাহ আবু আল-আইশ নিহত হওয়ার পর মৃতের এই সংখ্যা আরও বাড়ে। আবু আল-আইশ ‘হাজার শহীদ কাপ’ টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন এবং রবিবার গাজায় তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
আরও পড়ুন: নেপাল-তিব্বত বন্যায় ৩০ দেশের নাগরিক নিখোঁজ, উদ্ধার অব্যাহত
ফিলিস্তিনি ক্রীড়াবিদদের ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি
মুস্তফা সিয়াম জানান, এই ভয়াবহ প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞ ফিলিস্তিনি ক্রীড়াজগতকে এক গভীর অস্তিত্ব সংকটে ফেলেছে। ইসরায়েলি হামলায় গাজার স্টেডিয়াম, স্পোর্টস ক্লাব, একাডেমি ও স্পোর্টস হল ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও বুলডোজার দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
ওই অঞ্চলের ৫৬টি ক্লাবের মধ্যে ৫০টিরও বেশি এবং ফিফার সহায়তায় নির্মিত প্রায় ২০টি ফাইভ-এ-সাইড মাঠ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
আরও পড়ুন: নেপালের দেবঘাট বনে ১৯৯ অজ্ঞাত মরদেহ দাফন
তীব্র সম্পদ সংকটের মধ্যেও কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে অবকাঠামো ধ্বংস ও প্রশিক্ষকদের হারানোর ফলে এই প্রচেষ্টা চরম চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।
পশ্চিম তীরে হামলা এবং আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ
শুধু গাজাতেই নয়, অধিকৃত পশ্চিম তীরেও ফিলিস্তিনি ক্রীড়াবিদদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে এবং অনেক খেলোয়াড় ও প্রশাসককে আটক করা হয়েছে। ২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর থেকে ফিলিস্তিনি পরিসংখ্যান অনুযায়ী ৭৩ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত এবং ১ লাখ ৭৪ হাজারেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।
২০২৫ সালের যুদ্ধবিরতি সত্ত্বে ইসরায়েলি বাহিনীর লাগাতার হামলায় মানবিক পরিস্থিতি মারাত্মক রূপ নিয়েছে।
খেলাধুলার আন্তর্জাতিক সমস্ত আপডেট পেতে দৈনিক দিগন্ত প্রতিদিন-এর সংবাদের সাথেই থাকুন।
এ সংক্রান্ত সামাজিক আলোচনা এবং তাতক্ষণিক নোটিফিকেশন পেতে আমাদের অফিশিয়াল টুইটার পেজ-এ চোখ রাখতে পারেন।




















