সব ধর্মের মানুষ মিলেমিশে বসবাস করবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের সব ধর্মের মানুষ মিলেমিশে বসবাস করবে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে দানবীর রণদা প্রসাদ সাহার নিজ বাড়ির পূজামণ্ডপে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য আরও বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা শহীদ জিয়ার আদর্শ ধারণ করেন এবং সব ধর্মের মানুষের সঙ্গে একাত্ম হয়ে কাজ করতে বিশ্বাসী। প্রতিবছর দুর্গাপূজায় এই মণ্ডপে এসে তিনি বিশেষ এক আনন্দময় পরিবেশ উপভোগ করেন এবং এমন সম্প্রীতি সবসময় বজায় থাকুক এমনটাই প্রত্যাশা করেন। সবাই একসঙ্গে মিলেমিশে আনন্দ উপভোগ করে।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী: ধর্ম-বর্ণের বিভাজন নয়, সবাইকে নিয়ে বাংলাদেশ গড়তে চাই
পূজামণ্ডপে ভারতেশ্বরী হোমসের ছাত্রীদের পরিবেশনায় আরতি উপভোগের পাশাপাশি মন্ত্রী কুমুদিনী কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন।
আরও পড়ুন: লেবাননের জ্বালানি সংকট সমাধানে কাতারের সহায়তার প্রতিশ্রুতি
পরে নৌকাযোগে নদী পার হয়ে তিনি রণদা প্রসাদ সাহার বাড়ির পূজামণ্ডপে পৌঁছান। সেখানে কুমুদিনী ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজীব প্রসাদ সাহার হাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে শারদীয় শুভেচ্ছার ফুলের তোড়া তুলে দেওয়া হয়। এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী এমপি। তিনি শারদীয় উৎসব নিয়ে জাতীয় গর্বের কথা উল্লেখ করেন এবং সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে আসা বা না আসার বিষয়ে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, এটি তার ব্যক্তিগত বিষয়, তবে দেশে আইন আছে এবং সেটি নিজের গতিতেই চলবে। স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা নাকি দেশে আসবেন। আসুন, ওনাকে আমরা যেতেও বলিনি, আবার আসতেও বলব না। উনি প্রধানমন্ত্রী থেকে কীভাবে পালিয়ে গেলেন।
অনুষ্ঠানে মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জহিরুল আলম, কুমুদিনী ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্টের পরিচালক শ্রীমতি সাহা, পরিচালক (শিক্ষা) প্রতিভা মুৎসুদ্দি, পরিচালক মহাবীর পতি চন্দন, কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ আবদুল হালিম ও ভারতেশ্বরী হোমসের অধ্যক্ষ মন্দিরা চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া কুমুদিনী হাসপাতালের উপপরিচালক অনিমেষ ভৌমিক লিটন, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহিন, সহকারী পুলিশ সুপার আদনান মুস্তাফিজ, মির্জাপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ সেখানে অংশ নেন।






















